ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে আগামী ৩০ বছর পর কি হবে সে বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য এম. এ. আকমল হোসেন আজাদ। একইসঙ্গে স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত সক্ষমতা ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলতি বছরই শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে রবিবোর বিকেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা জানান তিনি। এ সময় আকমল হোসেন আজাদের সঙ্গে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, আখাউড়া স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক রাশেদুল সজীব নাজির , সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান, আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্থলবন্দরের সম্মেলন কক্ষে বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এম. এ. আকমল হোসেন আজাদ।
আকমল হোসেন আজাদ বলেন, ‘অবকাঠামো বাড়ালেই যে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাড়বে- বিষয়টি এমন নয়। প্রতিবেশি দেশ এবং আমাদের সরকারের পলিসিরও বিষয় আছে। তবে আমরা প্রস্তুত আছি বন্দরের সক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরা চিন্তা করছি আগামী ৩০ বছর পর এখানে কী হবে! আমরা আশা করি তখন এখানে আমদানি বাড়বে। এখন যেমন আমরা মালামাল পাঠাতে পারছি, তখন আমরা নামাতেও (আমদানি করা ) পারব। সেই সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমাদের অব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ জায়গায় পর্যায়ক্রমে অবকাঠামো গড়ে তুলে সক্ষমতা বৃদ্ধি আমাদের প্রস্তাবে আছে।’
প্রকাশক : নাদিম হোসেন তালুকদার, প্রধান সম্পাদক: আলমগীর হোসেন তালুকদার, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মোহনা চৌধুরী পিয়া, উপদেষ্টা: মোস্তফা সরোয়ার, আইন উপদেষ্টা :অ্যাডভোকেট তোহা, নির্বাহীসম্পাদক: মোহাম্মদ হবে হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান, ফোন নাম্বার : 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟏𝟒𝟑𝟏𝟏𝟔𝟑, প্রধান কার্যালয় : ৩ নং চিড়িয়াখানা রোড, নিউ সি ব্লক, মিরপুর-১ ঢাকা ১২১৬
E-mail : dainikbbckhobor.com@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত