1. info@dainikbbckhobor.com : দৈনিক বিবিসির খবর : দৈনিক বিবিসির খবর
  2. info@www.dainikbbckhobor.com : দৈনিক বিবিসি খবর :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের খামারিরা ব্যস্ত সময় পার করছে হাইব্রিড ধানের অধিক ফলনে বোনারপাড়ায় ব্র্যাক সিডের আয়োজনে কৃষক কর্মশালা  তাহিরপুরের বিভিন্ন হাওরে ধান কাটা-শুকানোর কাজ পরিদর্শনে ইউএনও মানিক  চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ  ‎শান্তিগঞ্জে সাংবাদিক সোহেল তালুকদার ও রায়হানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা গোবিন্দগঞ্জের ক্রোড়গাছা দ্বিমুখী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন আগ্রাবাদে এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্প নির্মাণে উচ্ছেদ অভিযান হোয়াইক্যং চেকপোস্টে সিএনজিতে ইয়াবা পাচারকালে চালক আটক, উদ্ধার ৩ হাজার পিস ইয়াবা জলঢাকায় দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন  ত্রিশালে জাতীয় নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি, সমাপনীতে থাকবেন তারেক রহমান

‎বাপ-দাদার জমিতে ঘর ভিটা উঠাবার দাবিতে মানববন্ধন

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

‎‎
‎গাইবান্ধা প্রতিনিধি
‎গোবিন্দগঞ্জে বাপ-দাদার জমিতে ইপিজেড নির্মাণের উদ্যোগ বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছেন সাঁওতালরা। এই দাবিতে নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সাঁওতাল সম্প্রদায়ের সব বয়সী মানুষ তীর-ধনুক হাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার কাটামোড়ে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি ও অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
‎সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইপিজেড নির্মাণের নামে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের ভেতরে সাঁওতালদের বাপ-দাদার তিন ফসলি জমি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। শহীদ শ্যামল হেমব্রম, রমেশ টুডু ও মঙ্গল মারডির রক্তে ভেজা জমিতে ইপিজেড করা যাবে না। গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের ১ হাজার ৮৪২ একর জমি আদিবাসীদের ফিরিয়ে দিতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, সাঁওতালসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন ও উচ্ছেদ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে তারা দেশান্তরে বাধ্য হবেন। এতে ভাষা, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। সাঁওতালসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শূন্যতা ঠেকাতে তাদের প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে।
‎সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. খায়রুল চৌধুরী, লেখক-গবেষক পাভেল পার্থ, এএলআরডির পরিচালক শামসুল হুদা, এএলআরডির আইন বিষয়ক কর্মকর্তা অ্যাড. রফিক সিরাজী, আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদের আহবায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, মানবাধিকারকর্মী গোলাম রব্বানী মুসা, আদিবাসী নেতা বার্নাবাস টুডু, আইনজীবী মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, রেজাউল করিম মাস্টার, ময়নুল ইসলাম, স্বপন শেখ প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন আদিবাসী নেতা প্রিসিলা মুরমু ও অ্যাড. ফারুক কবীর।
‎এ সময় হামলা, অগ্নিসংযোগ, গুলিবর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। পাশাপাশি গুলিতে নিহত ও আহত সাঁওতাল পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ, জমি পুনরুদ্ধার চুক্তি বাস্তবায়ন, সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। সাঁওতাল পল্লীতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদসহ চিহ্নিত আসামিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান বক্তারা।
‎ইক্ষু খামারসংলগ্ন মাদারপুর, জয়পুরপাড়া ও সাহেবগঞ্জ মেরীসহ কয়েকটি গ্রাম থেকে তীর-ধনুক, বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন ও ব্যানার হাতে শত শত সাঁওতাল ও বাঙালি বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন।

‎গাইবান্ধা প্রতিনিধি

‎গোবিন্দগঞ্জে বাপ-দাদার জমিতে ইপিজেড নির্মাণের উদ্যোগ বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছেন সাঁওতালরা। এই দাবিতে নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সাঁওতাল সম্প্রদায়ের সব বয়সী মানুষ তীর-ধনুক হাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার কাটামোড়ে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি ও অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

‎সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইপিজেড নির্মাণের নামে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের ভেতরে সাঁওতালদের বাপ-দাদার তিন ফসলি জমি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। শহীদ শ্যামল হেমব্রম, রমেশ টুডু ও মঙ্গল মারডির রক্তে ভেজা জমিতে ইপিজেড করা যাবে না। গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের ১ হাজার ৮৪২ একর জমি আদিবাসীদের ফিরিয়ে দিতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, সাঁওতালসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন ও উচ্ছেদ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে তারা দেশান্তরে বাধ্য হবেন। এতে ভাষা, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। সাঁওতালসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শূন্যতা ঠেকাতে তাদের প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে।

‎সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. খায়রুল চৌধুরী, লেখক-গবেষক পাভেল পার্থ, এএলআরডির পরিচালক শামসুল হুদা, এএলআরডির আইন বিষয়ক কর্মকর্তা অ্যাড. রফিক সিরাজী, আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদের আহবায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, মানবাধিকারকর্মী গোলাম রব্বানী মুসা, আদিবাসী নেতা বার্নাবাস টুডু, আইনজীবী মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, রেজাউল করিম মাস্টার, ময়নুল ইসলাম, স্বপন শেখ প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন আদিবাসী নেতা প্রিসিলা মুরমু ও অ্যাড. ফারুক কবীর।

‎এ সময় হামলা, অগ্নিসংযোগ, গুলিবর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। পাশাপাশি গুলিতে নিহত ও আহত সাঁওতাল পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ, জমি পুনরুদ্ধার চুক্তি বাস্তবায়ন, সন্ত্রাসীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। সাঁওতাল পল্লীতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদসহ চিহ্নিত আসামিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান বক্তারা।

‎ইক্ষু খামারসংলগ্ন মাদারপুর, জয়পুরপাড়া ও সাহেবগঞ্জ মেরীসহ কয়েকটি গ্রাম থেকে তীর-ধনুক, বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন ও ব্যানার হাতে শত শত সাঁওতাল ও বাঙালি বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট