
স্টাফ রিপোর্টার আশা
উত্তরা আবদুলাপুর এলাকায় একাধিক হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদক জুয়া এবং নারী দেহ ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে স্থানীয়দের অভিযোগ এ সব হোটেলের কার্যক্রম প্রশাসনের নজরে আসলে কেউ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিশেষ করে আব্দুল্লাহপুর আকবর টাওয়ারের নিচ তলায় অবস্থিত হোটেল ওয়ান স্টার দীর্ঘদিন ধরে এসব অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে পরিচিত এখানে বিভিন্ন বয়সের নারীদের জন্য চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার খরচ ধার্য করা হয় এবং ইচ্ছা হলে সারারাতও থাকতে দেওয়া হয় তরুণদের ভাষ্য অনুযায়ী এসব কার্যক্রম এক বিশেষ বড় ভাইর নেতৃত্বে পরিচালিত হয় এই বড় ভাইদের নাম প্রকাশের বলা হয় না তবে কার্ডে এইসব দালালদের নাম উল্লেখ থাকে যারা সরাসরি যৌনকর্মীদের বাসায় পৌঁছে দেয়ার কাজে যুক্ত থাকে এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত এক তরুণ জানান এখানে তোদেরকে কেউ কিছু বলবে না নির্ভয়ে কাঠ দিয়ে যা এসব দালাল এবং তাদের নিয়ন্ত্রণকারী বড় ভাই দের দাপট এলাকায় নজিরবিহীন প্রশাসনের অগ্রাহতায় অপরাধের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে সংবাদ উঠে আসে এসব হোটেলে শুধু নারী দেহ ব্যবসা নয় মাদক এবং জুয়ার মত অপরাধ নিয়মিত হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং হোটেল প্রশাসন সক্রিয় না হওয়ায় অপরাধীরা খুব সহজে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে এছাড়াও এসব কার্যক্রম পরিচালনায় প্রায়ই রাজনৈতিক সাপোর্ট এবং কিছু সাংবাদিকের সাপোর্ট থাকার ও আভাস পাওয়া যায় উত্তরা আব্দুল্লাহপুর এলাকায় এই ধরনের হোটেল গুলোর কার্যক্রম বন্ধ না করা হলে তরুণ সমাজের জন্য ঝুঁকি বেড়ে যাবে হোটেল মালিক শফিক সাংবাদিক গেলে সাংবাদিকের সাথে খুব খারাপ আচরণ করে এবং কি সে সাংবাদিককে হুমকিও দেয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি আইনগত ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতার মাধ্যমে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করা সম্ভব