
বাদল আহাম্মদ খান নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘এমপি চুরি করলে তো ঠিকাদার তো করবেই। এমপি যদি সৎ হয় কোনো ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নাই চুরি করে।’
সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুশকিল হচ্ছে এমপি রাখে ৫০ ভাগ। এমপি সাহেবের চামচা রাখে আরো ২৫ ভাগ। এখানেই ৭৫ ভাগ শেষ। আর ঠিকাদার ২৫ ভাগের পাঁচ ভাগ কাজ করে, বাকি পকেটে ঢোকায়। এমপি চুরি করলে তো ঠিকাদার করবেই।’ এ সময় তিনি এলাকার সড়ক যোগাযোগের ভয়বহতার কথা তুলে ধরেন।
সোমবার বিকেল চারটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পানিশ্বরে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিএনপি’র সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (বহিস্কৃত) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন। এ সময় এম.পি পাস করলে নিজ এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি চিকিৎসা নিয়ে দেখবো কোন বাপের বেটা ডাক্তার উপস্থিত থাকে না। ওষুধ কেমনে পাওয়া যায় না।’
রুমিন ফারহানা আরো বলেন, ‘আমার বাবা নাই, ভাই-বোন নাই। আত্মীয়-স্বজন বিদেশে থাকে। আমি পাস করলেও তারা এসে লাইন দিবে না। আপনারা আমার সব। আপনারাই আমার কাছে আত্মীয়।’ সবাইকে পরিবারের সদস্য হিসেবে সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে সবাইকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।
মতবিনিময়কালে রুমিন ফারহানার হাতে স্থানীয় প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজের তালিকা তুলে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে এম.পি নির্বাচিত করলে উন্নয়ন কাজগুলো করে যাবো। আর যদি না পারি তাহলে আপনাদের কাছে আর আসবো না।’