
বাদল আহাম্মদ খান নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাত শিশুর মাঝে হাম সনাক্ত হয়েছে। ২১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে সাতজনের মধ্যে হাম সনাক্ত হয়। এর মধ্যে দু’জন ইতিমধ্যেই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। হাম আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করা হয়েছে জেলা সদর হাসপাতালে।
এদিকে রবিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জরুরি হাম-রুবেলা টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন নোমান মিয়া, হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক রতন কুমার ঢালী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার গোপা পাল প্রমুখ।
হাসপাতালে নিজ কন্যা শিশুকে টিকা নিতে আসা লিপি নাগ বলেন, ‘হাম যেভাবে দ্রæত ছড়াচ্ছে সেটা খুবই আতঙ্কের বিষয়। তবে এখন টিকার ব্যবস্থা হওয়ায় অনেকটা স্বস্থি পাওয়া গেছে। সরকারের উচিত এ বিষয়ে সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া।’
আইয়ুব রহমান নামে আরেক অভিভাবক বলেন, ‘হাম ছড়ানোর আগেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিলো। নতুন করে যেন রোগটি আর ছড়াতে না পারে সে বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে আরো দায়িত্বশীল ভ‚মিকা রাখতে হবে।’
সিভিল সার্জন নোমান মিয়া জানান, হামের ঝুঁকিপূর্ণ জেলার তালিকায় এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাম নেই। তারপরও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। মোট ৫০ হাজার বেশি এমআর টিকা রয়েছে। দেড়লাখের বেশি ভিটামিন এ ক্যাপসুল মজুদ রয়েছে। যতদিন পর্যন্ত টিকা মজুদ আছে ততদিন এ টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে।
জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানান, জেলায় হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে সাতজনের শরীরে সনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। সেবা দিতে হাসপাতালে বিশেষ সেন্টার খোলা হয়েছে।