রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সাথে সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ২০ বছরের ব্যবধানে মা-ছেলের বাঁশখালী সফর অভয়নগরে ১,৪১৭ পিস ইয়াবা সহ শীর্ষ মাদক ডিলার আকাশ ও সুমন গ্রেফতার  জুলাইয়ের শহীদ ও আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২।  যশোরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ১ যুবক ও ২ নারী সদস্য গ্রেফতার  জনসাধারণ আমি, আমিই জনসাধারণ’স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ে বললেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী যৌথ অভিযানে ৯ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মৌলভীবাজারে লিজকৃত খাস জমি দখলের অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন উপেক্ষার দাবি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার জেলার বিন্নি গ্রাম (আদর্শ গ্রাম) এলাকায় ৯৯ বছরের লিজপ্রাপ্ত খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী সনজব খাঁ মুকিদ অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের কাছে একাধিক আবেদন, তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও প্রভাবশালী একটি পক্ষ জোরপূর্বক তার জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সনজব খাঁ মুকিদের পিতা মৃত সদর খাঁ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী উক্ত খাস জমির ৯৯ বছরের বৈধ লিজ গ্রহণ করেন এবং সেখানে বসতঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন বসবাস করেন। পরবর্তীতে অসুস্থতার কারণে অন্যত্র অবস্থানকালে এবং মৃত্যুর পর অভিযুক্তরা সুযোগ নিয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।৷ ভুক্তভোগীর দাবি, অভিযুক্ত সান্তানুর ও আনিস মিয়া তাকে নিজ জমিতে প্রবেশে বাধা দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিখিতভাবে তার পক্ষে রায় প্রদান করলেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে। পরে আদালতে মামলা দায়ের হলে আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে তিনি জমির দখল পুনরুদ্ধার করেন।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, দখল ফিরে পাওয়ার পরও অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে হুমকি, ভয়ভীতি ও চক্রান্ত অব্যাহত রাখে। সর্বশেষ গত ১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করলে বাধা দিতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকির শিকার হন সনজব খাঁ মুকিদ।

তিনি আরও জানান, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৮ ধারায় মানবাধিকার সংস্থার সহায়তায় ধারাবাহিকভাবে চারবার আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি লিজের কাগজপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন, স্থানীয় রায় ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভুক্তভোগীর প্রশ্ন, তদন্ত প্রতিবেদন ও বৈধ কাগজপত্র তার অনুকূলে থাকার পরও কীভাবে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে অবৈধ নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে? এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীর জমির দখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews