রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সাথে সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ২০ বছরের ব্যবধানে মা-ছেলের বাঁশখালী সফর অভয়নগরে ১,৪১৭ পিস ইয়াবা সহ শীর্ষ মাদক ডিলার আকাশ ও সুমন গ্রেফতার  জুলাইয়ের শহীদ ও আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২।  যশোরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ১ যুবক ও ২ নারী সদস্য গ্রেফতার  জনসাধারণ আমি, আমিই জনসাধারণ’স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ে বললেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী যৌথ অভিযানে ৯ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

হোয়াইক্যং কাঞ্জরপাড়ায় অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি নবী হোসেন ওরফে ‘লাদেন’ র‍্যাবের হাতে আটক

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকার আলোচিত অস্ত্র মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি নবী হোসেন ওরফে “লাদেন” (৪৫)-কে আটক করেছে র‍্যাব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

আটককৃত নবী হোসেন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কাঞ্জরপাড়া এলাকার মৃত শহর মুল্লুকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় তিনি “লাদেন” নামে পরিচিত এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত ছিলেন।

র‍্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ থানায় দায়ের হওয়া একটি চাঞ্চল্যকর অস্ত্র মামলার অন্যতম প্রধান আসামি হিসেবে তার নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।বিশ্বস্ত সূত্রে আরও জানা যায়, আত্মগোপনে থাকার সময় নবী হোসেন পার্শ্ববর্তী উখিয়া উপজেলার পালংখালী এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সেখানে অবস্থান করে তিনি সীমান্তকেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধচক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছেস্থানীয়দের অভিযোগ, নবী হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কারবার, অস্ত্র বহন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সীমান্তপথে নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি, চাঁদাবাজি এবং মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তার নাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।একাধিক সূত্র দাবি করেছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা ছিল এবং তিনি ‘ইয়াবা ডন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

র‍্যাবের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য অভিযোগ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত আছে।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে। সাধারণ মানুষ আশা করছেন, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযান আরও জোরদার হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews