শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সাথে সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ২০ বছরের ব্যবধানে মা-ছেলের বাঁশখালী সফর অভয়নগরে ১,৪১৭ পিস ইয়াবা সহ শীর্ষ মাদক ডিলার আকাশ ও সুমন গ্রেফতার  জুলাইয়ের শহীদ ও আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২।  যশোরে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ১ যুবক ও ২ নারী সদস্য গ্রেফতার  জনসাধারণ আমি, আমিই জনসাধারণ’স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ে বললেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী যৌথ অভিযানে ৯ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এসপি মাসুদ আলমের

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, রাউজান ও আশপাশের এলাকায় টার্গেট কিলিং, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।রোববার (১৭ মে) সকালে নগরের দুই নম্বর গেইটে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।পুলিশ সুপার বলেন, “কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পুরো পরিস্থিতি বুঝতে হবে। ভেতরের বিষয়গুলো না জেনে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের সমন্বয়ে বড় পরিসরে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।জঙ্গল সলিমপুর প্রসঙ্গে মাসুদ আলম বলেন, “জঙ্গল সলিমপুরকে আর রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে দেওয়া হবে না। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই জায়গাটি নিয়ে নানা গল্প শুনেছি। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনাও আলোচিত ছিল। যৌথ বাহিনীর অভিযান ও সাম্প্রতিক কার্যক্রমে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়েছে।”তিনি জানান, এলাকায় স্থায়ীভাবে পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। আপাতত দুটি স্কুলে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।পুলিশ সুপার আরও বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ও পুলিশ একাডেমি স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। এতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে।গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। অনেক সময় ঘটনার আগেই তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তাই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও অভিযানের তথ্য দ্রুত জানাতে আমরা চেষ্টা করবো। জনগণের আস্থা অর্জনে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।”মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মাসুদ আলম বলেন, কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্ত হয়ে ইয়াবা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং চট্টগ্রাম সেই রুটের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এজন্য মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি। চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় আড়াইশ পশুর হাট রয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন, গরুর হাট ও পশু পরিবহনে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। বড় অঙ্কের টাকা বহনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা চাইলে পুলিশি সহায়তা পাবেন। এছাড়া মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে কাজ করবে।সভায় পুলিশ সুপার জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, জনবান্ধব পুলিশিং এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সেবার বিষয়ে তার কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews