বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বন্ধ তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালু করতে চুক্তি সই, বিনিয়োগ হবে ৬১৯ কোটি টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়, পাশের হার ৪৯.৪৮, কেউ পাশ করেনি ৮ বিদ্যালয়ের সাতসকালে কলকাতার থানা পরিক্রমায় বের হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী  চিটাগাং চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭টি সাব কমিটি গাইবান্ধার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত  বাঁশখালীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ সরকারের মূল পরিকল্পনার অংশ : প্রধানমন্ত্রী অভয়নগরে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ আটক ৩ চট্টগ্রামে দলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে

মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলমের প্রায় ৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক করেছে সিআইডি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনা জেলার আতাইকুলা থানার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শাহীন আলমের বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট, সিআইডি-এর তৎপরতায় প্রায় ৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের আদেশ প্রদান করেছে আদালত।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জনের অভিযোগে শাহীন আলমের বিরুদ্ধে আতাইকুলা থানায় মামলা নং-১০, তারিখ ১৪/০৩/২০২৩, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধলব্ধ অর্থে ১৯২.৬৭ শতাংশ জমিসহ বিভিন্ন মূল্যবান স্থাবর সম্পত্তি অর্জন করেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত এই সকল সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন। এছাড়াও, তদন্তে শাহীন আলমের নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৬২ লাখ ১ হাজার ৬৪ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে এসব হিসাবে ৪২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮৭ টাকা জমা রয়েছে, যা আদালতের নির্দেশে ইতোমধ্যে ফ্রিজ করা হয়েছে। শাহীন আলম নিজেকে একজন দুগ্ধ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিলেও, তদন্তে উঠে এসেছে তিনি আতাইকুলা উপজেলায় একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ চক্রের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচার করে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। আইন অনুযায়ী মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews