শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গাইবান্ধায় ১১ দলের অবস্থান কর্মসূচি ও প্রধানমন্ত্রী বরাবরের স্মারকলিপি প্রধান প্রদান গাইবান্ধায় অসহায় তিন ব্যক্তির মাঝে জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ ৩৬ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সংগীত সন্ধ্যা   অভিনব কায়দায় প্রতারণা যশোর থেকে চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার  সারাদেশে পর্যটনে মাষ্টার প্ল্যান করা হচ্ছে নলডাঙ্গায় পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম  কলকাতা পুলিশের পথ নিরাপত্তা দিবস পালিত হচ্ছে  জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে গাইবান্ধায় শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা মোকামতলায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পথসভা ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত নলডাঙ্গায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবীতে মিছিল  বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবে সাবেক কোষাধ্যক্ষ আহমেদ পারভেজকে সংবর্ধনা

টেকনাফে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম

কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ এবং তিন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছেমঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ টেকনাফ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ জিন্নাখাল সীমান্ত এলাকায় এ সফল অভিযান পরিচালিত হয়বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে, মিয়ানমার থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাযোগে নাফ নদী অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়ার পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল জিন্নাখাল এলাকায় কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।পরে সকাল আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের দিক থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে বিজিবির টহল দল নৌকাটিকে থামানোর সংকেত দেয়। নৌকাটি আটক করে তল্লাশি চালানো হলে এর ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম (১৯), আব্দুল হোসেন (৩৫) এবং মো. সোয়াইব (১৮)। তাদের সকলের বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায়এছাড়া তদন্তে ঘটনায় জড়িত আশাদুল (২৫) নামে আরও একজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। অভিযানের সময় তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাকে পলাতক আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার বাড়িও একই এলাকায় বলে জানিয়েছে বিজিবি।বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট এবং জব্দকৃত ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকার মোট সিজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশের পর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছেটেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সকল ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। সীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবেআটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও জব্দকৃত নৌকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবির এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews