মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সাতসকালে কলকাতার থানা পরিক্রমায় বের হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী  চিটাগাং চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭টি সাব কমিটি গাইবান্ধার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত  বাঁশখালীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ সরকারের মূল পরিকল্পনার অংশ : প্রধানমন্ত্রী অভয়নগরে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ আটক ৩ চট্টগ্রামে দলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সাথে সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ২০ বছরের ব্যবধানে মা-ছেলের বাঁশখালী সফর অভয়নগরে ১,৪১৭ পিস ইয়াবা সহ শীর্ষ মাদক ডিলার আকাশ ও সুমন গ্রেফতার 

ঘুষ না দেওয়ায় নিয়োগবঞ্চিত প্রথম স্থান অধিকারী, ডিসিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা: বগুড়ায় নিয়োগ কার্যক্রমে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ গুলজার রহমান বগুড়া প্রতিনিধি

নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেও ঘুষ না দেওয়ায় চাকরি না পাওয়ার অভিযোগে তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার পর বিবাদীরা নির্ধারিত সময়ে কৈফিয়ত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পদে সকল নিয়োগ কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। আগামী ২০ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

 

জানা যায়, বগুড়ার মাটিডালী এলাকার শাহাদত হোসাইন নামুজা এসএসআই ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ল্যাব সহকারী পদে আবেদন করেছিলেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় শাহাদত হোসাইন ৩৪.৫০ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং নিয়োগ কমিটির স্বাক্ষরিত ফলাফলের কপিও হাতে পান।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রথম হওয়ার দুই দিন পর, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রুস্তম আলী তাকে ডেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। শাহাদত হোসাইন ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৬ অক্টোবর স্থানীয় পত্রিকায় একই পদে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর প্রতিকার চেয়ে শাহাদত হোসাইন তৎকালীন জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজাকে বিষয়টি জানাতে গেলে কথিতভাবে তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না পেয়ে শাহাদত হোসাইন গত ৯ অক্টোবর তৎকালীন জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজাকে প্রধান বিবাদী করে প্রথম সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলাটি (মামলা নং–৭৩৯/২০২৫) দায়ের করেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলা দায়েরের পর আদালত সাত দিনের মধ্যে বিবাদীদের কাছে কৈফিয়ত তলব করেন। কিন্তু বিবাদীরা সময়মতো জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিচারক সংশ্লিষ্ট ল্যাব সহকারী পদে পরবর্তী নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

 

এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রুস্তম আলী তাঁর বিরুদ্ধে আনা ঘুষের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, “চাকরি প্রার্থীর সঙ্গে আমার দেখা পর্যন্ত হয়নি।”

 

অন্যদিকে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ জানান, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি নতুন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার আশ্বাস দেন।মামলা প্রসঙ্গে সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) শফিকুল ইসলাম টুকু জানান, মামলাটি ডিসির ব্যক্তিগত নামের বিরুদ্ধে করা হয়নি, এটি দায়িত্বশীল পদের বিরুদ্ধে করা একটি নিয়মিত মামলা। এদিকে, গত ১৬ নভেম্বর দায়িত্ব হস্তান্তরের পর সাবেক ডিসি হোসনা আফরোজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews