বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বন্ধ তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালু করতে চুক্তি সই, বিনিয়োগ হবে ৬১৯ কোটি টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়, পাশের হার ৪৯.৪৮, কেউ পাশ করেনি ৮ বিদ্যালয়ের সাতসকালে কলকাতার থানা পরিক্রমায় বের হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী  চিটাগাং চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭টি সাব কমিটি গাইবান্ধার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত  বাঁশখালীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ সরকারের মূল পরিকল্পনার অংশ : প্রধানমন্ত্রী অভয়নগরে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ আটক ৩ চট্টগ্রামে দলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে

মানব পাচারের ভয়ংকর আস্তানা ভাঙলো বিজিবি, বেঁচে ফিরলো ৮৪ ভূক্তভোগী

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল আউয়াল

দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মানব পাচার প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি বিজিবি এর আভিযানিক দল র‌্যাব, সিপিসি এর সাথে সমন্বয় করে টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মানব পাচারকারীদের একটি চক্রকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ভূক্তভোগীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ১৮০০ ঘটিকা থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত ২০০০ ঘটিকা পর্যন্ত টানা ২৬ ঘন্টা টেকনাফ উপজেলার কচ্ছপিয়া, বড়ডিল এবং রাজারছড়া করাচি গোরামারা পাহাড় এলাকায় বিজিবি-৯, র‌্যাব-১৫ এবং সিপিসি-১ এর যৌথ দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তারা অস্ত্রসহ তিনজন মানব পাচারকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি দেশীয় বন্দুক, একটি বিদেশী পিস্তল এবং ৩ রাউন্ড অ্যামুনিশন।

এছাড়াও অভিযানে মানব পাচারের শিকার হয়ে বিপদগ্রস্ত অবস্থায় থাকা মোট ৮৪ জন ভূক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং ৬৬ জন এফডিএমএন (ফোর্সড ডিসপ্লেসড মায়ানমার ন্যাশনালস)। তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বিজিবির এ সফল অভিযান প্রমাণ করে যে, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মানব পাচার প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকি নিয়েও বিজিবি সদস্যরা যে সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। একইসাথে এই অভিযান বিজিবির মানবিক ও জনকল্যাণমূলক ভূমিকাকেও সামনে নিয়ে এসেছে।

অস্ত্র, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের জনগণের সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়লে মানব পাচার ও সীমান্ত অপরাধ আরও কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে। জনগণ চাইলে সরাসরি বিজিবির টোল ফ্রি নাম্বার ০১৭৬৯৬০০৫৫৫ এ তথ্য দিয়ে সহায়তা করুণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews