মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সাতসকালে কলকাতার থানা পরিক্রমায় বের হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী  চিটাগাং চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭টি সাব কমিটি গাইবান্ধার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত  বাঁশখালীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ সরকারের মূল পরিকল্পনার অংশ : প্রধানমন্ত্রী অভয়নগরে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ আটক ৩ চট্টগ্রামে দলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সাথে সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ২০ বছরের ব্যবধানে মা-ছেলের বাঁশখালী সফর অভয়নগরে ১,৪১৭ পিস ইয়াবা সহ শীর্ষ মাদক ডিলার আকাশ ও সুমন গ্রেফতার 

ব্রাহ্মণাবড়িয়া জেলার চারদশকে প্রথম  নারী প্রশাসকের যোগদান 

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

বাদল আহাম্মদ খান নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে রবিবার, ১৬ নভেম্বর দুপুরে যোগদান করেছেন শারমীন আক্তার জাহান, যিনি নড়াইলের জেলা প্রশাসক ছিলেন। ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে জেলা ঘোষণার পর দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময়ে প্রথমবারের মতো নারী প্রশাসক পেলো জেলাটি। তবে তাঁর বদলির আদেশের পর যোগদান করা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে মোহাম্মদ দিদারুল আলমকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষ মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তিনি প্রায় এক বছর দুই মাস ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে দায়িত্ব পালন করেন। দিদারুল আলম বিসিএস (প্রশাসন) ২৪ ও শারমীন জাহান ২৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। শারমীন জাহানকে রবিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবেশ মুখ আশুগঞ্জে স্বাগত জানান সেখানকার ইউএনও, অ্যাসিল্যান্ডসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এদিকে চাকুরিক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সহযোগিতার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম। এ সময় তিনি কথা থামিয়ে দিয়ে চোখ মুছতে থাকেন। আবেগ নিয়ে কথা বলেন।

শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে তাকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি বারবার বলেছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে যদি কেউ সংসার করতে না পারে বাংলাদেশের কোথাও সংসার করতে পারবে না। এটা আমার নিজের দেখা। এজন্য আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার যখন এ জেলায় অর্ডার হয় তখন অনেকে বলেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেমনে সামলাবা। এসে তো দেখি যেমন বলা হয় তেমন না। এখানকার অফিসাররা যারা একবার চলে যান, তারা এখানে আরেকবার আসার জন্য উদগ্রীব থাকেন। কারণ তারা একবার বুঝে যান পরিবেশটা ঠিক ওই রকম নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews