সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সাতসকালে কলকাতার থানা পরিক্রমায় বের হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী  চিটাগাং চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭টি সাব কমিটি গাইবান্ধার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত  বাঁশখালীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ সরকারের মূল পরিকল্পনার অংশ : প্রধানমন্ত্রী অভয়নগরে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ আটক ৩ চট্টগ্রামে দলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সাথে সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ২০ বছরের ব্যবধানে মা-ছেলের বাঁশখালী সফর অভয়নগরে ১,৪১৭ পিস ইয়াবা সহ শীর্ষ মাদক ডিলার আকাশ ও সুমন গ্রেফতার 

আখাউড়া লোকোমোটিভ সংকটে  আটকা চারটি ট্রেন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

বাদল আহাম্মদ খান নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ রেলওয়েতে লোকোমোটিভ (ট্রেনের ইঞ্জিন) সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। যাত্রীবাহী ট্রেনের পাশাপাশি মালবাহী ট্রেনেও লোকোমোটিভ সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এতে সব ধরণের ট্রেন অনেক বিলম্ব নিয়ে চলছে। মালবাহী ট্রেনের ক্ষেত্রে বিলম্বের কোনো লাগাম নেই।

মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে চারটি মালবাহী ট্রেন আটকা থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যে দু’টি তেলবাহী ও দু’টি কন্টেইনার। একাধিক দিন ধরে একটি, সোমবার সন্ধ্যা থেকে একটি ও মঙ্গলবার থেকে আরো দু’টি ট্রেন আটকা পড়ে।

বেলা সোয়া তিনটার দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেলওয়ে স্টেশনের দুই নং প্লাটফরমের পশ্চিম পাশে একটি তেলবাহী ট্রেন দাঁড়ানো। তিন নং প্লাটফরমের পশ্চিম দিকে পাশাপাশি তিনটি লাইনে আরো তিনটি ট্রেন দাঁড়ানো। এরমধ্যে একটি তেলবাহী ও দু’টি কন্টেইনার। এছাড়া ১৪ নং লাইনে তেলবাহী ট্রেনের চারটি বগি রয়েছে। এসব ট্রেনের মধ্যে ঢাকামুখী একটিতে লোকোমোটিভের সংযোগ দেওয়া আছে। তবে চালক কিংবা পরিচালক (গার্ড) দেখা যায়নি ওই ট্রেনে।

আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের একটি সূত্র জানায়, বেশ কয়েকদিন যাবত একটি তেলবাহী ট্রেন আটকা পড়ে আছে। এরপর আরেকটি কন্টেইনার ট্রেন আটকা পড়ে। সোমবার সন্ধ্যায় আসে আরেকটি কন্টেইনার। দুই নং লাইনের তেলবাহী ট্রেনটি আসে মঙ্গলবার। এছাড়া তেলবাহী চারটি বগি পড়ে আছে কয়েকমাস ধরে। এটির পড়ে থাকার সঠিক হিসেব একাধিক সূত্র থেকেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সূত্রটি জানায়, মূলত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আখাউড়ায় আসার পর একটি ট্রেন থেকে লোকোমোটিভ খোলে আরেকটি মালবাহী ট্রেন চালানো হয়। বেশ কয়েকমাস ধরেই চলছে এ অবস্থা। এতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ট্রেন আটকা পড়ে যায়। তবে মঙ্গলবার আটকা পড়ে গেছে চারটি ট্রেন।

বিকেলে মোবাইল ফোনে কথা হলে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের ট্রেইন্স ক্লার্ক মো. আমজাদ চারটি মালবাহী ট্রেন একসঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, লোকোমোটিভ পাওয়া সাপেক্ষে ট্রেনগুলো চলাচল করবে।

আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন উর্ধ্বতন উপ-সহকারি প্রকৌশলী (লোকোশেড ইনচার্জ) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিটি মালবাহী ট্রেনই লোকোমোটিভ নিয়ে আখাউড়ায় আসে। কিন্তু অন্য যাত্রীবাহী ট্রেনের লোকোমোটিভ নষ্ট হওয়ায় সেগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। যে কারণে মালগাড়িগুলো আটকে আছে।’

তিনি বলেন, ‘যেসব লোকোমোটিভ নষ্ট হয়ে যায় এগুলো এখনো আসেনি। একটি’র লোকো দিয়ে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস চালানোর জন্য সিলেটে পাঠানো হয়। আরেকটি’র লোকো রেডি আছে। আশা করি ওই কন্টেইনার ট্রেনটিকে চালানো যাবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews