1. info@dainikbbckhobor.com : দৈনিক বিবিসির খবর : দৈনিক বিবিসির খবর
  2. info@www.dainikbbckhobor.com : দৈনিক বিবিসি খবর :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামে আটকে স্ক্র্যাপ জাহাজ, সংকটে শিপব্রেকিং শিল্প ঘোরাফেরায় সন্দেহ, চট্টগ্রামে ছাত্রশক্তির নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫ গাইবান্ধায় ব্র্যাক সিডের কর্মশালায় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন: গাইবান্ধায় ব্র্যাক সিডের কর্মশালায় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ডে নির্মিত ফ্লোটিং ক্রেন বিএনএফসি বলীয়ান যুক্ত হলো নৌবহরে মার্কিন নাগরিক ৪ বছরের শিশু উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার চট্টগ্রামের বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী চীনা কনসোর্টিয়াম সিরাজগঞ্জে জ্বিনের বাদশা সেজে ২১ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগে প্রতারক গ্রেফতার  পতেঙ্গায় ৫ লাখ টাকার চোরাই কয়লা জব্দ সিএনজিতে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা পাচার, টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর জালে মাদক কারবারি

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামে আটকে স্ক্র্যাপ জাহাজ, সংকটে শিপব্রেকিং শিল্প

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে চট্টগ্রামে ভাঙার জন্য আমদানি করা একটি কেমিক্যাল ট্যাংকার জাহাজ আটকে গেছে। ফলে দেশের জাহাজ ভাঙা শিল্পে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রায় ৬১ কোটি টাকা মূল্যের ‘মেমেই’ নামের জাহাজটি বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে এবং এটি ভাঙার ইয়ার্ডে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজটি আমদানি করেছে শওকত আলী চৌধুরীর মালিকানাধীন এসএন করপোরেশন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি পরে জানাজানি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি এখন জাহাজটি মূল মালিকের কাছে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জাহাজটি আর বিচিং করা হবে না। নিষেধাজ্ঞার তথ্য আগে জানা গেলে প্রতিষ্ঠানটি এটি কিনত না। বর্তমানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।আন্তর্জাতিক জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ৪৪ হাজার ৮০০ টন ধারণক্ষমতার ‘মেমেই’ (আইএমও: ৯১৩৩০৮২) গত ২২ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়। ১৯৯৭ সালে নির্মিত পালাউ-পতাকাবাহী জাহাজটি দীর্ঘদিন ধরে তেল ও রাসায়নিক পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।গত ২৮ মে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) জাহাজটিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জাহাজটি ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে অংশ নিয়েছিল। একই সঙ্গে এর নিবন্ধিত মালিক হংকংভিত্তিক এভার শাইনিং লিমিটেডকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজটির স্ক্র্যাপ মূল্য প্রায় ৪৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি ৮৮ লাখ টাকার সমপরিমাণ। নিষেধাজ্ঞার কারণে জাহাজটি ভাঙা সম্ভব না হওয়ায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও কমপ্লায়েন্স ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজ ক্রয়ের ক্ষেত্রে আরও কঠোর যাচাই-বাছাই না করলে দেশের শিপব্রেকিং শিল্প ভবিষ্যতে বড় ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট