
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, চেকপোস্ট পরিচালনা ও বিশেষ অভিযানসহ বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
মাদকদ্রব্যের সরবরাহ, পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছেএরই ধারাবাহিকতায় ১৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. মীরসরাই থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মীরসরাই থানাধীন ইকোনমিক জোন রোডে বিশেষ নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করেএকপর্যায়ে রাত ১২: ১৫ এ সন্দেহজনক একটি টয়োটা নোয়া মাইক্রোবাসের গতিবিধি লক্ষ্য করে পুলিশ ধাওয়া করলে গাড়িতে থাকা অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীরা কৌশলে গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ মাইক্রোবাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১৩০ (একশত ত্রিশ) কেজি গাঁজা ও ১০০ (একশত) বোতল ফেনসিডিল (FAIRDYL) উদ্ধার করে। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ০১টি নোয়া মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মীরসরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পলাতক আসামিদের গ্রেফতার, মাদকের উৎস ও সরবরাহকারী চক্র শনাক্ত এবং এর সঙ্গে জড়িত মূলহোতাদের আইনের আওতায় আনতে মীরসরাই থানা পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মাদক নির্মূলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ গোয়েন্দা তৎপরতা, প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য বিশ্লেষণ, নিয়মিত অভিযান, চেকপোস্ট ও আন্তঃথানা সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক পরিবহনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতেও পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর, সমন্বিত ও ধারাবাহিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।