
রেশমা বেগম, ভোলা
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দক্ষিণ বাটামারা এলাকার বাসিন্দা ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বাছেদ তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি মহল তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় জড়িয়েছে এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।লিখিত বক্তব্যে মো. নজরুল ইসলাম বাছেদ জানান, গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে দক্ষিণ বাটামারা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বৃদ্ধ মন্তাজ উদ্দিন মাঝির ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ৭ মার্চ বৃদ্ধের ছেলে আকবর হোসেন বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাকে ৭ নম্বর আসামি করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন।তিনি বলেন, “ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে আমি স্বশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলার কপি সংগ্রহ করি এবং তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলি। আমি তাকে স্পষ্টভাবে জানাই, এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বাদীপক্ষের সঙ্গে পূর্ব বিরোধ থাকায় আমাকে পরিকল্পিতভাবে জড়ানো হয়েছে।”তিনি আরও জানান, তদন্ত কর্মকর্তা তাকে আশ্বস্ত করেন যে, নির্দোষ কাউকে হয়রানি করা হবে না এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে। এ আশ্বাসে তিনি তার কর্মস্থল ৪৭ নম্বর উত্তর-পূর্ব পক্ষিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৬ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নেন। পরদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “বোরহানউদ্দিনে বৃদ্ধকে খুনচেষ্টার মাস্টারমাইন্ড স্কুলমাস্টার” শিরোনামে প্রচারিত সংবাদ দেখে তিনি বিস্মিত হন।মো. নজরুল ইসলাম বাছেদ বলেন, “আমি একজন শিক্ষক। ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। সত্য উদঘাটনে সাংবাদিক সমাজ, প্রশাসন ও বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক। আমি দোষী প্রমাণিত হলে আমাকেও আইনের মুখোমুখি হতে আপত্তি নেইতিনি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান।